এ বিষয়ে সিএমপির উপপুলিশ কমিশনার (বন্দর) মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, এএসআই রুহুল আমিন ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সপক্ষে প্রমাণ পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বদলি কার্যকর না হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, “তিনি চলে যাবেন।” এ সময় তিনি কর্ণফুলী থানায় তিনজন ওসি পরিবর্তন এবং জনবল সংকটের কথাও উল্লেখ করেন।
এর আগে গত জুলাইয়ে তিনি জানিয়েছিলেন, বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের মৌখিক ও লিখিতভাবে ছাড়পত্র নেওয়ার তাগাদা দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা বাস্তবায়ন না হলে কারণ দর্শানোর নোটিশ এবং প্রয়োজনে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে পরবর্তী সময়ে রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে এমন কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
বদলির আদেশের পরও একজন কর্মকর্তা কেন আগের কর্মস্থলে বহাল রয়েছেন, এর সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে সত্যতা যাচাই এবং বদলি বাস্তবায়নে বিলম্বের প্রশাসনিক কারণ স্পষ্ট করার দাবি উঠেছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রমাণিত না হলে তা পরিষ্কার করার মধ্য দিয়ে পুলিশের জবাবদিহি ও জনআস্থা নিশ্চিত করা সম্ভব।