চট্টগ্রাম : যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ইন্টারটেকের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নেতৃবৃন্দের এক সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে অনুষ্ঠিত এ সভায় ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশ উন্নয়ন, বিনিয়োগ সম্ভাবনা এবং ইজ অব ডুয়িং বিজনেস বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
সভায় চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আমজাদ হোসেন চৌধুরী, সহ-সভাপতি মোহাম্মদ মশিউল আলম স্বপন, সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি এম. এ. ছালাম, বর্তমান পরিচালক আসাদ ইফতেখার উপস্থিত ছিলেন।
অন্যদিকে ইন্টারটেকের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক রিজিওনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর অজয় কাপুর, বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর নিয়ামুল হাসান, কান্ট্রি হেড অব সেলস অ্যান্ড সিআরএম আলিজা সুলতানা, চট্টগ্রাম অঞ্চলের হেড অব সেলস রফিক আহমেদ এবং বিজিএমইএর সাবেক পরিচালক খন্দকার বেলায়েত হোসেন।
সৌজন্য সাক্ষাৎকালে চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক বলেন, শতবর্ষী ও ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান হিসেবে চট্টগ্রাম চেম্বার ব্যবসায়ীদের জন্য ইজ অব ডুয়িং বিজনেস উন্নয়ন এবং ব্যবসার প্রতিবন্ধকতা কমাতে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। একই সঙ্গে ব্যবসায়িক বিভিন্ন নীতিগত বিষয়ে সরকারের সঙ্গে সমন্বয় ও অ্যাডভোকেসি কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের অটোমেশন কার্যক্রম বাস্তবায়নে চেম্বারের ধারাবাহিক উদ্যোগ, তদবির ও নীতিগত সহায়তার ফলে পণ্য খালাস প্রক্রিয়ায় কাস্টমসের ৪২টি ধাপ কমে বর্তমানে ৬ ধাপে নেমে এসেছে। এতে ব্যবসায়ীদের সময় ও ব্যয় উভয়ই কমেছে এবং ব্যবসা পরিচালনার পরিবেশ উন্নত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতেও সরকার ও বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলে বন্দর উন্নয়ন কার্যক্রমে চট্টগ্রাম চেম্বার সক্রিয় ভূমিকা রাখতে আগ্রহী।
সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি এম. এ. ছালাম বলেন, প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই চট্টগ্রাম চেম্বার ব্যবসায়ীদের কল্যাণে কাজ করে আসছে। পাশাপাশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতেও প্রতিষ্ঠানটি কার্যকর ভূমিকা পালন করছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।
ইন্টারটেকের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক রিজিওনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর অজয় কাপুর বলেন, ১৩০ বছরের পুরোনো প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইন্টারটেক বাংলাদেশকে একটি সম্ভাবনাময় বাজার হিসেবে দেখছে। ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী। বিশেষ করে ব্যবসার সহজীকরণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর খাতে বিনিয়োগ সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।