THE B NEWS 24

রাত ৯:৫৮ - সোমবার - ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ - ৩০শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - ৩রা রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি
রাত ৯:৫৮ - সোমবার - ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ - ৩০শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - ৩রা রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি
জাতীয় সর্বশেষ

ফ্লাইট এক্সপার্ট হঠাৎ বন্ধ, মালিক ও কর্মকর্তার পাল্টাপাল্টি অভিযোগে অনিশ্চয়তায় গ্রাহকরা

উড়োজাহাজের অনলাইন টিকিট বুকিং প্ল্যাটফর্ম ‘ফ্লাইট এক্সপার্ট’ হঠাৎ করেই বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (২ আগস্ট) সন্ধ্যা থেকে তাদের ওয়েবসাইট ও অফিস কার্যক্রম বন্ধ থাকায় হাজারো গ্রাহক ও টিকিট বিক্রেতা এজেন্সি চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

রাজধানীর মতিঝিলে ফ্লাইট এক্সপার্টের কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, টিকিট বিক্রেতা এজেন্সি ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা ভিড় করেছেন। অগ্রিম টিকিট কেনার পর হঠাৎ সেবাবঞ্চিত হয়ে তাঁরা হতাশ। ইউনিয়ন ট্রাভেলসের এক মালিক কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “সব শেষ ভাই, ২৫-৩০ লাখ টাকা নেই। আমি শেষ।” তিনি জানান, তাঁর কেনা সব টিকিটই ফ্লাইট এক্সপার্টের মাধ্যমে নেওয়া হয়েছিল, তবে সেগুলো আসলে অন্য এজেন্সি থেকে সংগ্রহ করা।

২০১৭ সালের মার্চে যাত্রা শুরু করা ফ্লাইট এক্সপার্ট এয়ারলাইনসের টিকিট বুকিং, হোটেল রিজার্ভেশন, ট্যুর প্যাকেজ ও ভিসা প্রক্রিয়াকরণের মতো সেবা দিত। কম খরচে সহজ টিকিট বুকিংয়ের কারণে এটি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। তবে প্রতিষ্ঠানটি সরাসরি এয়ারলাইন থেকে নয়, বরং দুইটি মধ্যস্থতাকারী এজেন্সির মাধ্যমে টিকিট সংগ্রহ করত। অভিযোগ উঠেছে, এই এজেন্সিগুলো এখন রিফান্ড নিয়ে অর্থ তুলে নিচ্ছে।

পরিস্থিতি জটিল হওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সালমান বিন রশিদ অভ্যন্তরীণ ফেসবুক গ্রুপে বার্তা দিয়ে দাবি করেন, দুই কর্মকর্তা তিন কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন এবং তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে। তিনি নিজেকে হুমকি ও অপবাদ থেকে রক্ষা করতেই প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ ও দেশত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে হেড অব কমার্শিয়াল সাঈদ আহমেদ উল্টো অভিযোগ করে বলেন, মালিকপক্ষই টাকা নিয়ে দেশ ছেড়েছে। এতে কোটি কোটি টাকার টিকিট অনিশ্চয়তায় পড়েছে। তিনি জানান, এ বিষয়ে মতিঝিল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। জিডিতে অভিযোগ করা হয়েছে, সালমান কাউকে না জানিয়ে শনিবার পরিবারসহ বিদেশে চলে গেছেন।

মতিঝিল সিটি সেন্টার ভবনের নিরাপত্তাকর্মীরাও জানান, গত তিন দিন ধরে সালমান অফিসে আসেননি। সরবরাহকারী এজেন্সিগুলোর মতে, বড় প্ল্যাটফর্মের ওপর নির্ভরশীল ছোট এজেন্সিগুলো এখন সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত।

 

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *