বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা: পেকুয়া-বাঁশখালী-আনোয়ারা সংযোগ প্রধান সড়কটি নামমাত্র আঞ্চলিক মহাসড়ক। বাঁশখালীর এই ব্যস্ততম সড়কটি দুই লাইনের। যানবাহনের আধিক্যের তুলনায় রাস্তাটি সরু। এখানে আবার গুরুত্বপূর্ণ বাজারগুলোতে নামমাত্র ফুটপাত আছে আবার কোথাও নাই। যেখানে আছে সেগুলো প্রভাবশালীদের দখলে। কেউ পানের ভাটা আর তেলের ড্রাম, আবার কেউ ডেস্ক বসিয়ে নিজেদের দখল রেখেছে। মানুষ ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পারাপার হচ্ছে। চাম্বল বাজার, টাইমবাজার, মিয়ারবাজার,গুনাগারি বাজার এলাকায় সড়কের উপর গাড়ি রেখে মালবাহী ট্রাকে থেকে পণ্য উঠা-নামা করার দৃশ্য প্রতিনিয়ত দেখা গেসে।
এছাড়াও এই সড়ক দিয়ে এস.আলম, এস.আর স্পেশাল, সৌদিয়া বাঁশখালী সুপার সার্ভিস, স্পেশাল সার্ভিস, পন্যবাহী ট্রাক, মিনি ট্রাক, সিএনজি চালিত অটোরিকশাসহ হাজার হাজার গাড়ী চলাচল করে থাকে। এই সড়কে হরহামেশাই ঘটছে সড়ক দুর্ঘটনা আর হতাহতের ঘটনা।
সরেজমিনে দেখা যায়, উল্লেখিত স্পট গুলোতে সড়কটির দুপাশে ব্যাটারী চালিত অটোরিকশা, সিএনজি অবৈধ ভাবে পার্কিং করে রাখার দৃশ্য। অটোরিকশার যেখানে সেখানে ইউ টার্ন আর যাত্রী উঠানামা। এসব কারণে ঘন্টার পর ঘন্টা লেগে থাকে তীব্র যানজট, চরম ভোগান্তি পোহাতে হয় যাত্রীদের।
সাধারণ যাত্রীদের দাবি, সাধারণ যাত্রীদের দাবী বৃহস্পতিবার আসলে অসাধু শ্রেণির সিএনজি চালকরা যাত্রীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় প্রবণতাও বাড়িয়ে দেয়। এতে যাত্রীরা হয়রানির শিকার হন। যাত্রীদের দাবি, চালকদের হয়রানি ও সড়কে ভোগান্তি দুর করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও নজরদারি কামনা করেন যাত্রীমহল।
বাঁশখালী সড়ক সংস্কার আন্দোলন এর সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা তৌহিদুল ইসলাম আকবর জানান, বাঁশখালী একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদ, অথচ এখানকার মূল সড়ক এখনো সংকীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ। আনোয়ারা, কর্ণফুলী, বাঁশখালী, চকরিয়া ও ঈদগাঁও-ঈদমনি হয়ে যে সড়কটি দক্ষিণ চট্টগ্রামকে দেশের মূল অর্থনৈতিক কেন্দ্রে যুক্ত করেছে, সেটিকে অবিলম্বে চার লেনে উন্নীত করতে হবে। এরমাধ্যমে জনগণের ভোগান্তি কমবে। এটি শুধু বাঁশখালী নয়, সমগ্র উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের প্রাণের দাবি।
এবিষয়ে বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জামসেদ আলম বলেন, প্রধান সড়কটি এমনিতেই সরু অটোরিকশা, সিএনজি চালিত অটোরিকশার হিড়িক ও যত্রতত্রে অবৈধ পার্কিংয়ের কারণে দিনদিন যানজট বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি জানতে পেরেছি, সড়কে যানচলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করার কোন সুযোগ নেই।