THE B NEWS 24

রাত ৮:২৪ - রবিবার - ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ - ২৯শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - ২রা রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি
রাত ৮:২৪ - রবিবার - ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ - ২৯শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - ২রা রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি
বাণিজ্য সর্বশেষ

গাড়ি প্রবেশে বর্ধিত গেট-ফি স্থগিত, চট্টগ্রাম বন্দরে অচলাবস্থা কাটছে

পণ্য পরিবহনকারী ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, লরি ও ট্রেইলর মালিক-শ্রমিকদের টানা কর্মবিরতির পর অবশেষে চট্টগ্রাম বন্দরে বর্ধিত প্রবেশমূল্য (গেট-ফি) স্থগিত করা হয়েছে। এতে দুই দিনের অচলাবস্থার পর আবারও বন্দরে আমদানি পণ্য খালাস ও পরিবহন কার্যক্রম স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে সিদ্ধান্তটি প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ না হলে পুনরায় আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে মালিক-শ্রমিক সংগঠনগুলো।

রোববার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে পরিবহন মালিক-শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় এ সিদ্ধান্ত হয়।

চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব মো. ওমর ফারুক জানান, সরকারের অনুমোদনক্রমে গেজেট আকারে নতুন ট্যারিফ কার্যকর হওয়ায় বন্দর কর্তৃপক্ষ তা এককভাবে বাতিল করতে পারছিল না। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় আপাতত বর্ধিত ফি আদায় স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ফলে মালিক-শ্রমিকরা ধর্মঘট প্রত্যাহার করে কাজে যোগ দিয়েছেন।

চট্টগ্রাম ট্রাক-কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মজুমদার মানিক বলেন, বন্দর চেয়ারম্যানের মৌখিক ঘোষণায় আপাতত আগের ফি অনুযায়ী গাড়ি প্রবেশ করছে। তবে বিষয়টি প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ না হলে আন্দোলনে ফেরার বিষয়ে আলোচনা রয়েছে। এছাড়া শ্রমিকদের লাইসেন্স নবায়নসহ আরও কিছু দাবি রয়েছে, যেগুলো দ্রুত সমাধানের প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

বন্দর সচিব ওমর ফারুক জানান, বোর্ডের সিদ্ধান্ত এখন প্রস্তাব আকারে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। অনুমোদন মিললেই স্থায়ীভাবে বর্ধিত ফি বন্ধ হয়ে যাবে। এর আগে পর্যন্ত নতুন ট্যারিফ আর আদায় করা হবে না।

এর আগে ১৪ অক্টোবর রাত থেকে কার্যকর হওয়া সিদ্ধান্তে যানবাহনের গেট-ফি ৫৭ টাকা ৫০ পয়সা থেকে এক লাফে ২৩০ টাকা করা হয়েছিল। পাশাপাশি বন্দরের বিভিন্ন সেবাখাতে ৪১ শতাংশ পর্যন্ত মাশুল বাড়ানো হয়। এর প্রতিবাদে গত ১৫ অক্টোবর থেকে ট্রেইলর মালিক সমিতি পরিবহন বন্ধ রাখে। পরে শনিবার সকাল থেকে মোট ১৮টি পরিবহন মালিক-শ্রমিক সংগঠন কর্মবিরতিতে যোগ দিলে বন্দরে অচলাবস্থা দেখা দেয়।

এতে বন্দরের বিভিন্ন গেটে যানজট তৈরি হয়, রফতানি পণ্য পরিবহন ব্যাহত হয় এবং প্রায় ৪৬ হাজার কনটেইনার বন্দরে আটকে যায়।

অন্যদিকে একই কারণে রোববার সকাল ৯টা থেকে চার ঘণ্টার কর্মবিরতি পালন করে সিএন্ডএফ এজেন্ট ও কর্মচারীরা। তাদের এই কর্মসূচির কারণে কাস্টমস কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। তবে বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অভ্যন্তরে জাহাজ থেকে পণ্য খালাস ও রফতানি পণ্য জাহাজে তোলার কাজ স্বাভাবিকভাবে চলেছে।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *