THE B NEWS 24

রাত ১০:৪৭ - সোমবার - ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ - ৩০শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - ৩রা রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি
রাত ১০:৪৭ - সোমবার - ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ - ৩০শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - ৩রা রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি
জাতীয় সর্বশেষ

নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে ৫০০ শয্যার নতুন ভবন উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে ৫০০ শয্যার নতুন ভবন উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর ফলে দেশের অন্যতম বৃহৎ এ বিশেষায়িত হাসপাতালটির মোট শয্যাসংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজারে।

শনিবার সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী হাসপাতাল প্রাঙ্গণে নবনির্মিত ১৫ তলা ভবনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। উদ্বোধন অনুষ্ঠানের শুরুতে তিনি হাসপাতাল চত্বরে একটি গাছের চারা রোপণ করেন। পরে মোনাজাতে অংশ নেন এবং বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে নতুন ভবনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও হাসপাতালের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, দেশে স্নায়ুরোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। এ কারণে বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে পর্যায়ক্রমে শয্যাসংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। নতুন ৫০০ শয্যার ভবন চালু হওয়ায় রোগীদের চিকিৎসাসেবার সুযোগ আরও বিস্তৃত হবে।

সংশ্লিষ্টদের দাবি, দক্ষিণ এশিয়ার আর কোনো দেশে এত বড় নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতাল নেই। নতুন ভবন চালুর ফলে মস্তিষ্ক, স্নায়ু ও সংশ্লিষ্ট জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীদের জন্য উন্নত চিকিৎসাসেবার পরিসর আরও বাড়বে।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, ২০১২ সালে ১০ তলা ভবনে ৩০০ শয্যা নিয়ে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের যাত্রা শুরু হয়। চালুর পর থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিপুলসংখ্যক রোগী এখানে চিকিৎসা নিতে আসতে থাকেন। রোগীর চাপ বাড়তে থাকায় পরবর্তী সময়ে আরও ২০০ শয্যা যুক্ত করা হয়।

এবার নবনির্মিত ১৫ তলা ভবনে আরও ৫০০ শয্যা যুক্ত করা হলো। ফলে হাসপাতালটির মোট শয্যা ১ হাজারে উন্নীত হয়েছে। এর মাধ্যমে স্নায়ুরোগে আক্রান্ত রোগীদের জন্য ভর্তি ও বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবার সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেল।

নতুন ভবন ও শয্যা চালুর ফলে রোগীদের দীর্ঘ অপেক্ষা কমানো, চিকিৎসার সুযোগ বাড়ানো এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা রোগীদের উন্নত সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে নতুন সক্ষমতা তৈরি হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *